Bankura Rape Case: বাঁকুড়ায় আদিবাসী যুবতীকে ধর্ষণে ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধর্ষণের (Bankura Rape verdict) ঘটনাটি যদিও অনেক বছর আগের। ১৯৯৫ সালের ২৮ জুন তপন মান্ডি নামে এক ব্যক্তির যৌন লালসার শিকার হয়েছিলেন ওই যুবতী।

Bankura Rape Case: বাঁকুড়ায় আদিবাসী যুবতীকে ধর্ষণে ১০ বছরের কারাদণ্ড

বাঁকুড়া: আদিবাসী যুবতীকে ধর্ষণের দায়ে (Bankura Rape Case) ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হল দোষী ব্যক্তির। সেইসঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাবাস। বাঁকুড়া আদালতের বিচারপতি মালতী কর্মকার এই রায় দিয়েছেন (Bankura Rape verdict)।

ধর্ষণের (Bankura Rape verdict) ঘটনাটি যদিও অনেক বছর আগের। ১৯৯৫ সালের ২৮ জুন তপন মান্ডি নামে এক ব্যক্তির যৌন লালসার শিকার হয়েছিলেন ওই যুবতী। ঘটনাটি ঘটেছিল বাঁকুড়া জেলার রায়পুর থানার রায়ডি গ্ৰামে। দিদির অসুস্থতার কথা শুনে রায়ডি গ্রামে এসেছিলেন নির্যাতিতা। দিদির সেবা শুশ্রূষা করাই উদ্দেশ্য ছিল।

ঘটনার দিন দিদি-জামাইবাবু কেউ বাড়িতে ছিলেন না। মুদিখানা আনতে গ্রামের এক দোকানে গিয়েছিলেন দিদি। জামাইবাবু গিয়েছিলেন হাটে। বাড়িতে কিছুটা সময় একাই ছিলেন ওই আদিবাসী যুবতী। তারই সুযোগ নিয়ে বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করে তপন মান্ডি। দিদি বাড়িতে ফিরলে তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা জানায় বোন। রাতে জামাইবাবু ফিরলে, তাঁকেও ঘটনার কথা জানানো হয়। পরদিন সকালেই রায়পুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

ALSO READ| TMC News: হুগলির পুরশুড়ায় তৃণমূল কর্মীর দেহ উদ্ধার, ধড় থেকে ৭০০ মিটার দূরে মিলল মুণ্ড!

অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণ মামলা রুজু করে পুলিশ। ধরা পড়ে তপন মান্ডি। কিন্তু পরে জামিন পেয়ে বেপাত্তা হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পর চলতি বছরের গোড়ায় পুলিশের হাতে পুনরায় ধরা পড়ে তপন মান্ডি । তার পরই এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছিল। বাঁকুড়ার অতিরিক্ত দায়রা আদালতের বিচারপতি মালতী কর্মকার দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্যের ভিত্তিতে বুধবার তপন মান্ডিকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

ALSO READ|  Duare Ration News: 'দুয়ারে রেশন' বন্ধ করতে নারাজ রাজ্য, সুপ্রিম কোর্টে যাবে খাদ্য দফতর