Visva Bharati: বিশ্বভারতী প্রাক্তনীর ক্যানসার আক্রান্ত বাবাকে বাঁচাতে পথে নামলেন সংগীত ভবনের পড়ুয়ারা

এক পরিবারের উপর হঠাত্‍‌ নেমে আসা কর্কটের (Cancer) কালো মেঘে, 'ঝোড়ো বাতাস' হয়ে দেখা দিল বিশ্বভারতী (Visva Bharati)। সহমর্মিতার হাত বাড়লেন সংগীত ভবনের পড়ুয়ারা (Visva-Bharati student)।

Visva Bharati: বিশ্বভারতী প্রাক্তনীর ক্যানসার আক্রান্ত বাবাকে বাঁচাতে পথে নামলেন সংগীত ভবনের পড়ুয়ারা
পথে এবার নামো সাথী.... অর্থ সংগ্রহে সংগীত ভবনের পড়ুয়ারা

।। রাহুল হাজরা

শান্তিনিকেতন: বিশ্বভারতীর ইতিহাস বিভাগের প্রাক্তন এক ছাত্রীর বাবা ক্যানসারে (Cancer) আক্রান্ত। চিকিত্‍‌সার বিপুল খরচ। অথচ, সংসারের সঞ্চয়ে ভাঁড়ে মা ভবানী। আর পাঁচটা মধ্যবিত্ত ঘরে যা হয়। মেয়ের পড়াশোনা, রোজকার সংসার, এর পর যেটুকু যা সঞ্চয় ছিল, ক্যানসারের সঙ্গে যুঝতে গিয়ে তার সবটাই শেষ। আক্ষরিক অর্থেই নিঃস্ব। অথচ, কঠিন রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনে অনেকটা পথ। একটা পরিবারের উপর হঠাত্‍‌ নেমে আসা কর্কটের কালো মেঘে, 'ঝোড়ো বাতাস' হয়ে দেখা দিল বিশ্বভারতী (Visva Bharati)। সহমর্মিতার হাত বাড়লেন বর্তমান পড়ুয়ারা। বিশ্বভারতীর সংগীত ভবনের পড়ুয়ারা (Visva-Bharati student) দল বেঁধে রাস্তায় নেমেছেন। যতটা সম্ভব চিকিত্‍‌সা-খরচ তাঁরা তুলে দিতে চাইছেন প্রাক্তন ওই ছাত্রী ঋতুপর্ণা রায়ের হাতে।

সহপাঠী-বন্ধুরা টাকা দিয়েছেন। বর্তমান পড়ুয়ারা যে-যার সাধ্যমতো টাকা দিচ্ছেন। এর বাইরেও পথে নেমে লাগাতার তিন দিন ধরে চলছে অর্থ সংগ্রহের এই কর্মসূচি। শান্তিনিকেতনের পথেপ্রান্তরে, চৌমাথার মোড়গুলিতে তাঁরা জড়ো হয়ে গাইছেন রবির গান, কখনও আবার বাউল সংগীত। লোকজনের সাড়া তাঁরা পাচ্ছেন। একজন প্রাক্তনীর বাবাকে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে বিশ্বভারতীর সংগীত ভবনের এহেন  উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সকল স্তরের মানুষ।

উদ্যোগী একদল তরুণ জানালেন, বিশ্বভারতীতে পরীক্ষা চলছে। যে কারণে বিশ্বভারতী ভবনে, বিশ্ববিদ্যালয়  ক্যাম্পাসে এখনও তাঁরা যেতে পারেননি। পরীক্ষাপর্ব মিটলে যাবেন। সাহায্যের আর্জি নিয়ে উপচার্যের সঙ্গেও তাঁরা দেখা করবেন।

ALSO READ| করোনায় দ্বিতীয় বার ওরা অভিভাবকহীন, গ্রাম্যবধূ কাবেরীই এখন আগলে রেখেছেন ৬০ অনাথ শিশুকে

লোকে বলে, বিপদে বন্ধু চেনা যায়। বর্ধমানের বাড়িতে একরাশ উদ্বেগ নিয়ে দিনগুজরান করা ঋতুপর্ণা রায়ের কাছে বন্ধু-সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই। প্রায় তিন বছর হল বিশ্বভারতী থেকে ইতিহাস নিয়ে পাশ করে বেরিয়েছেন। তার পরেও যে বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা এ ভাবে সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন, ভাবতেও পারেননি ঋতুপর্ণা।

ALSO READ| জরিমানার টাকায় অনাথ শিশুদের বিরিয়ানি খাওয়াল বীরভূম বাইকার অ্যাসোসিয়েশন

একটি আর্জি: এক অসহায় ছাত্রীর বাবাকে বাঁচাতে আপনিও পাশে দাঁড়াতে পারেন। বিন্দু বিন্দু জমতে জমতেই সিন্ধু হয়। আপনার সামান্য সাহায্য দুশ্চিন্তার ভার কিছুটা লাঘব করতে পারে ঋতুপর্ণার। সাহায্য করতে ইচ্ছুক হলে যোগাযোগ করতে পারেন সংগীত ভবনের ছাত্র অক্ষয় কর্মকারের সঙ্গে। ফোন নম্বর: 7001772824