Whatsapp কলিং আর ফ্রি নয়, কেন্দ্রের নতুন টেলিকম বিলে একাধিক সিদ্ধান্ত

টেলিকমের খসড়া বিল (New Telecom Bil) অনুসারে, OTT পরিষেবাগুলি টেলিকম পরিষেবার অংশ হিসাবে বিবেচিত হবে। এই পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলিকে এর জন্য নতুন করে একটি লাইসেন্স নিতে হবে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে এই সমস্ত অ্যাপ (Whatsapp Calling) ব্যবহারকারীদের পকেটে।

Whatsapp কলিং আর ফ্রি নয়, কেন্দ্রের নতুন টেলিকম বিলে একাধিক সিদ্ধান্ত

নয়াদিল্লি: হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp), ফেসবুক (Facebook), গুগল ডুও (Google Duo) এবং টেলিগ্রামের (Telegram) মতো কলিং ও মেসেজিং অ্যাপগুলিকে টেলিকম আইনের (New Telecom Bil) আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যে একটি খসড়া বিল তৈরি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কেন্দ্রের এই বিল পাশ হয়ে গেলে ওভার দ্য টপ (OTT) মানে, ইন্টারনেটের সাহায্যে কাজ করে এমন পরিষেবাগুলি (Whatsapp Calling) টেলিকম আইনের আওতায় চলে আসবে।

সূত্রের খবর, নরেন্দ্র মোদী সরকারের ড্রাফট টেলিকমিউনিকেশন বিল ২০২২-এ এইরকম একাধিক প্রস্তাব রয়েছে। উল্লিখিত কলিং এবং মেসেজিং অ্যাপগুলি টেলিকম আইনের আওতায় এলে, মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের উপর সরাসরি এর প্রভাব পড়বে।

।। টেলিকমিউনিকেশন বিল ২০২২ কেন
১.  আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করা
২.

টেলিকম এবং ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীদের উপর জরিমানা ধার্য করার প্রক্রিয়া যৌক্তিক করা

৩.  স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনার জন্য আইনি কাঠামো শক্তিশালী করা
৪.  সাইবার নিরাপত্তা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং অন্যান্য হুমকি মোকাবিলার প্রস্তুতিগ্রহণ
৫. নতুন টেলিকম আইন অনুসারে, টেলিকম সেক্টরে ব্যবহৃত নাম এবং তাদের সংজ্ঞাগুলিকে পুনরায় প্রণয়ন করা


খসড়া বিল অনুসারে, OTT পরিষেবাগুলি টেলিকম পরিষেবার অংশ হিসাবে বিবেচিত হবে। এই পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলিকে এর জন্য নতুন করে একটি লাইসেন্স নিতে হবে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে এই সমস্ত অ্যাপ ব্যবহারকারীদের পকেটে। কারণ, এই পরিষেবা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে লাইসেন্স পেতে একটি ফি জমা দিতে হবে। যদি সংস্থাটি এই লাইসেন্স স্যারেন্ডার করে, সে ক্ষেত্রে সেই ফি ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

ALSO READ| Mother Dairy: মাদার ডেয়ারি দুধের দাম ফের বাড়ছে

বর্তমানে যে কোনও অ্যাপ থেকে ভিডিয়ো বা অডিয়ো কল করার জন্য শুধু ইন্টারনেটের খরচ বহন করতে হয়। কিন্তু, এই বিল পাশ হলে WhatsApp বা কলিং পরিষেবা সরবরাহকারী অন্য সংস্থা এটির জন্য অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া শুরু করতে পারে। অথবা আপনাকে কিছু পরিষেবার মেম্বারশিপও নিতে হতে পারে। কারণ, কোম্পানিগুলি লাইসেন্স কেনার জন্য যে টাকা খরচ করবে, তা গ্রাহকদের কাছ থেকেই পরে তারা আদায় করবে।

এই খসড়া বিল বিষয়ে টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, নতুন টেলিকম বিলের সঙ্গে শিল্পের পুনর্গঠন ও নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের রোডম্যাপ তৈরি করা হবে। এই খসড়া বিল চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট ইন্ডাস্ট্রি ও জনগণের পরামর্শ চেয়েছে কেন্দ্র। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত মতামত জানানো যাবে।

ALSO READ| Manik Bhattacharya News: হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মানিক ভট্টাচার্য